Header Ads

পশ্চিমবঙ্গে খুব দ্রুত মহিলা কমিশন গঠন করার নির্দেশ দেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া কিশোর রাহাতকর

জাতীয় মহিলা কমিশন (এনসিডব্লিউ) এর  চেয়ারপার্সন বিজয়া কে রাহাতকর নারী সুরক্ষা, নারীর আইনের অধিকার এবং নারী স্বাবলম্বী একাধিক কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করতে পশ্চিমবঙ্গে   তিন দিনের সফরে এসেছিলেন। তাঁর এই কর্মসূচিতে ছাত্রছাত্রী, মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে।
জাতীয় মহিলা কমিশন (এনসিডব্লিউ) এর  চেয়ারপার্সন বিজয়া কে রাহাতকর ধন ধান্য অডিটোরিয়ামে নারী স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়ামে ‘শি সার্ভস’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন, যেখানে জনসেবা ও নেতৃত্বে নারীর ভূমিকার ওপর আলোকপাত করা হয়েছে।
এই রাজ্যে তাঁর সরকারি সফরকালে  মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং বৃহস্পতিবার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে নারী উন্নয়ন সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন ঋণ বিতরণের আগে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার পূর্বে ঋণ গ্রহণকারী স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির নিরীক্ষা করবে। পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে (এসএইচজি) দেওয়া ঋণে তহবিল তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল। জাতীয় মহিলা কমিশন (এনসিডব্লিউ) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য গ্রামীণ জীবিকা মিশন (ডব্লিউবিএসআরএলএম)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘সশক্ত সখী সমৃদ্ধ ভারত’ অনুষ্ঠানে দিলীপ ঘোষ একথা বলেন। যেসব স্বনির্ভর গোষ্ঠী ভালো কাজ করেছে, তারা প্রত্যেকে ৩.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবে।” ঘোষ আরও বলেন, “এই অর্থবর্ষে আমাদের ৪০,০০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।”

বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে নারীর স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা ও নেতৃত্বের উপর আলোকপাত করে 'নারী নেত্রীত্ব, উন্নত বাংলা' সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়েছে বৃহস্পতিবার। রাজ্য মহিলা কমিশন গঠনের দাবি তোলেন তিনি। রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মহিলা কমিশন জরুরি ভিত্তিতে পুনর্গঠনের ঘোষণা ও সুপারিশ করা হয়েছে এই দিন । চেয়ারপার্সন এও সতর্ক করেছেন যে, নারীদের সম্মান ও মর্যাদার জন্য যারা এগিয়ে আসবে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বলেছেন, বাংলার পুলিশের উচিত অভিযোগকারী মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্য করা। জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া কিশোর রাহাতকর নারী অভিযোগকারীদের প্রতি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, যারা নারীদের সম্মান রক্ষায় এগিয়ে আসবে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বলেছেন, বাংলার পুলিশের উচিত অভিযোগকারী মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্য করা।
চেয়ারপার্সন এও সতর্ক করেছেন যে, নারীদের সম্মান ও মর্যাদার জন্য যারা এগিয়ে আসবে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাতীয় মহিলা কমিশন চেয়ারপার্সনের কলকাতা ও হাওড়ার নারী ভুক্তভোগীদের জন্য মহিলা জনশুনানি করেন। বাংলায় নবগঠিত বিজেপি সরকারের অধীনে এই ধরনের প্রথম মহিলা জনশুনানিটি বৃহস্পতিবার পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানি অধিবেশনের ফাঁকে চেয়ারপার্সন বলেন, তিনি কমিশনে ইতিমধ্যে নথিভুক্ত ৩১টি মামলার শুনানি করেছেন এবং আরও ১৪ জন অভিযোগকারী সরাসরি উপস্থিত হয়েছেন তাঁর কাছে।


রাজ্য মহিলা কমিশনের প্রয়োজনীয়তার ওপর পুনরায় জোর দিয়ে চেয়ারপার্সন বলেন, “গত মাসে পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং তারপর থেকে রাজ্যে নিজস্ব কোনো কমিশন নেই। আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে যত দ্রুত সম্ভব রাজ্যে একটি মহিলা কমিশন গঠনের সুপারিশ করেছি। তিনি আমাকে জানিয়েছেন যে তিনি খুব শীঘ্রই রাজ্যে একটি মহিলা কমিশন গঠন করবেন। আমি আশা করি যে বাংলায় খুব শীঘ্রই নিজস্ব মহিলা কমিশন গঠিত হবে।”

শুক্রবার রাহাতকার বাংলার পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এবং হাওড়ায় মহিলাদের জন্য একটি গণশুনানি আয়োজন করেন। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে একটি পর্যালোচনা সভায় যোগদান করেন এই দিন তিনি ।এবং নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে পশ (POSH) ও মানব পাচার বিরোধী সচেতনতামূলক একটি কর্মশালা পরিচালনা করেন।

No comments

Powered by Blogger.